ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর প্রস্তাব আবারও ব্যর্থ, সিনেটে চতুর্থ ভোটে প্রত্যাখ্যান
ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর প্রস্তাব সিনেটে ব্যর্থ

ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর প্রস্তাব সিনেটে চতুর্থবারের মতো ব্যর্থ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব আবারও মার্কিন সিনেটে ব্যর্থ হয়েছে। এটি ছিল এ ধরনের চতুর্থ ভোট, যেখানে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হলো। স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল) হওয়া ভোটে প্রস্তাবটির বিপক্ষে ৫২টি এবং পক্ষে ৪৭টি ভোট পড়ে। প্রস্তাবটি পাস হলে ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান চালাতে পারতেন না।

ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ডেমোক্র্যাটরা বলেছেন, তারা আইনপ্রণেতাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে নিয়মিত সিনেটে এ ধরনের প্রস্তাব তুলবেন। ভার্জিনিয়ার সিনেটর টিম কেইন বিবিসিকে বলেন, ভোট সফল না হলেও এই প্রস্তাব জনগণকে বুঝতে সহায়তা করবে যে, এই যুদ্ধের দায় কার কাঁধে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই প্রচেষ্টা জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যদিও তা আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে পারেনি।

রিপাবলিকানদের প্রতিক্রিয়া ও শর্তসাপেক্ষ সমর্থন

অন্যদিকে বেশির ভাগ রিপাবলিকান প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেন। তবে তাদের কেউ কেউ বলেছেন, ৬০ দিনের সীমা অতিক্রম করলে তারা অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। মিসৌরির রিপাবলিকান সিনেটর জশ হাউলি বলেন, প্রশাসন বর্তমানে যুদ্ধক্ষমতা আইনের শর্তের মধ্যে রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাই বুধবার তিনি প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তবে তিনি আরও জানান, যদি প্রশাসন সংঘাত কমিয়ে আনার প্রমাণ দিতে না পারে এবং ৩০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন না নেয়, তাহলে তখন তিনি নতুন করে যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেবেন। এই মন্তব্য রিপাবলিকান দলের মধ্যে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওয়্যার পাওয়ার অ্যাক্ট ও সময়সীমার চাপ

এপ্রিলের শেষে যুদ্ধ ৬০ দিনে পৌঁছালে কংগ্রেসের জন্য আরও বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। ১৯৭৩ সালের ওয়্যার পাওয়ার অ্যাক্ট অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে কংগ্রেসকে সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে হবে বা ৩০ দিনের জন্য সময় বাড়াতে হবে। অন্যথায়, ট্রাম্পকে আইনত সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে হবে। এই আইনি কাঠামো মার্কিন যুদ্ধনীতি নিয়ন্ত্রণে কংগ্রেসের ভূমিকা তুলে ধরে।

এই পরিস্থিতি মার্কিন রাজনীতিতে দলীয় বিভাজন এবং নির্বাহী ও আইন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে চলমান বিতর্ককে প্রতিফলিত করে। ভবিষ্যতে আরও ভোট ও আলোচনা হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।