ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ নিহত ১৮, রেড ক্রিসেন্ট যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ
ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ নিহত ১৮

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ নিহত ১৮, রেড ক্রিসেন্ট যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির চুক্তি প্রত্যাখ্যানের হুমকির পর ইরানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই হামলার অংশ হিসেবে ইরানের আলবোরজ প্রদেশের আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে দুই শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন।

হামলার বিস্তারিত বিবরণ

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জানিয়েছে, আলবোরজ প্রদেশের আবাসিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি বিমান হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলবোরজ প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং আরও ২৪ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছেন।

এছাড়াও, পশ্চিম ইরানের খোরামাবাদ বিমানবন্দরকেও লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রেড ক্রিসেন্টের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে যুদ্ধাপরাধ বলে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি বিমান হামলায় ১৭টি বেসামরিক এলাকা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তাদের এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "বেসামরিক নাগরিকদের উপর হামলার কোনো বৈধ কারণ নেই; আন্তর্জাতিক মানবিক আইন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে প্রতিরক্ষা বিহীন বেসামরিকদের ওপর হামলা করা যুদ্ধাপরাধ।"

ইরানি মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, দেশজুড়ে রাতের হামলায় দুই ডজনের মতো নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পটভূমি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই হামলার পটভূমিতে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানকে যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে রাজি না হলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। ইরান সেই প্রস্তাবকে অন্যায্য অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করার পরই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যৌথভাবে এই হামলা শুরু করে। এই ঘটনা ইরান-মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

সূত্র: আল জাজিরা।