ইরানের হামলায় ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্যবস্তু, ইসরাইলি জাহাজে আগুন
ইরানের হামলায় ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্যবস্তু

ইরানের হামলায় ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্যবস্তু

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (৬ এপ্রিল) ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন উভচর আক্রমণাত্মক যুদ্ধজাহাজ এবং একটি ইসরাইলি মালিকানাধীন কনটেইনার জাহাজে হামলার দাবি করেছে। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

হামলার বিস্তারিত বিবরণ

আইআরজিসি জানিয়েছে, দিনের শুরুতে চালানো ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ৯৮তম দফার হামলার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। কনটেইনার জাহাজটির নাম ‘এসডিএন৭’ বলে উল্লেখ করে তারা দাবি করে, এটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নিখুঁতভাবে আঘাত করা হয়েছে এবং এতে আগুন ধরে যায়।

এছাড়া, ৫ হাজারের বেশি সেনা বহনকারী মার্কিন উভচর আক্রমণ জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি (এলএইচএ-৭) লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয় বলে আইআরজিসি জানায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য লক্ষ্যবস্তু ও পটভূমি

আইআরজিসি আরও দাবি করে, তাদের বাহিনী ইসরাইলের হাইফা শহরের কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে, বেয়ার শেভার পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি ও স্থাপনাগুলোতে নির্ভুল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মধ্য ইসরাইলের পেতাহ টিকভায় ইসরাইলি বাহিনীর একটি সমাবেশস্থলেও হামলা করা হয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং ওই আরব দেশের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা কয়েকটি বিমান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি শহরে যৌথ হামলা চালায়, যাতে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হন। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও সম্পদের ওপর ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।