হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন হামলা, ইরানের 'নো কোয়ার্টার' নীতি ঘোষণা
হিজবুল্লাহর হামলা, ইরানের 'নো কোয়ার্টার' নীতি

হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন হামলায় ইসরাইলি বাহিনী লক্ষ্যবস্তু

লেবাননের ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ বৃহস্পতিবার ইসরাইলি বাহিনীর ওপর রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে। স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১০ মিনিটের দিকে লেবাননের মালিকিয়াহ ও ইয়েরুন এলাকায় হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা রকেট হামলা পরিচালনা করেন।

ড্রোন হামলার খবরও নিশ্চিত

আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাছাকাছি সময়ে লেবাননের মেনাহেম এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর ওপর ড্রোন হামলা চালানোর কথাও হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করেছে। এসব হামলার বিষয়ে ইসরাইলি বাহিনী এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, যা পরিস্থিতির উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

ইরানের সেনাপ্রধান 'নো কোয়ার্টার' নীতি ঘোষণা

এদিকে ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শত্রু পক্ষ যদি ইরানের মাটিতে কোনো ধরনের স্থল অভিযান চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে একজন আক্রমণকারীকেও জীবিত ফিরতে দেওয়া হবে না। বৃহস্পতিবার দেশের সকল কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারের সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক অনলাইন ভাষণে তিনি এই 'নো কোয়ার্টার' নীতি ঘোষণা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইরানি সেনাবাহিনীর পূর্ণ প্রস্তুতি

মেজর জেনারেল হাতামি স্থল, নৌ এবং বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ প্রতি মুহূর্তে বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, ইরানি সেনাবাহিনী রক্ষণাত্মক এবং আক্রমণাত্মক—উভয় ক্ষেত্রেই পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের লক্ষ্য দেশ থেকে যুদ্ধের কালো মেঘ সরিয়ে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য—যেখানে তিনি যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানকে নতুনভাবে সাজানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন—তার কড়া সমালোচনা করেন হাতামি। তিনি বলেন, এই ধরনের বক্তব্যই প্রমাণ করে যে মার্কিন-ইসরাইলি জোটের আগ্রাসী মনোভাব এখনও বিদ্যমান। ইরানের প্রতি হুমকি ও চাপের এই পরিবেশে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। হিজবুল্লাহর হামলা এবং ইরানের কঠোর নীতির ফলে ভবিষ্যতে সংঘাতের সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।