ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবে ধ্বংসযজ্ঞ
ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে তেহরান ইসরাইলে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), এমনকি ক্লাস্টার ওয়ারহেড বা গুচ্ছ বোমাযুক্ত মিসাইলও নিক্ষেপ করা হচ্ছে। এতে ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবের বেশ কয়েকটি এলাকার অনেক ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
হামলার বিস্তারিত বিবরণ
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, উত্তর ইসরাইলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে এবং অন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পরই এই খবর সামনে আসে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা এই সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এদিকে, তেল আবিব জেলার গুরুত্বপূর্ণ শহর রামাত গানেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব চলছে। সেখানে বেশ কয়েকটি ভবন ও স্থাপনা ধসে পড়েছে, যা স্থানীয় অবকাঠামোর উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এই হামলাগুলো ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পটভূমি ও পূর্ববর্তী ঘটনা
এর আগে, সোমবার (১৬ মার্চ) ইসরাইল ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানিকে হত্যা করে। একই সঙ্গে ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধানকেও খুন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ইসরাইলি গণহত্যাকারীরা নিরাপত্তা কাউন্সিলের দ্বিতীয় প্রধানকেও হত্যা করেছে বলে জানানো হয়। এই ঘটনাগুলোই বর্তমান হামলার সরাসরি কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
এই সংঘাতের ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজর রাখা হচ্ছে। সূত্র হিসেবে আলজাজিরার প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই ঘটনার বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করে।
