ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান শহীদ
ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি প্রাণ হারিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিশোধের হুমকি ও ইরানের জবাব
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লারিজানি হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সেনাপ্রধান হাতামি। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জয়নিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত প্রতিরোধমূলক এবং অনুতাপজনক জবাব দেওয়া হবে।” বিবৃতিতে লারিজানিকে শহীদ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও আঞ্চলিক প্রভাব
লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে ইতোমধ্যেই মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার কথা জানিয়েছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার খবর অনুযায়ী, ইরানের এই হামলায় মধ্য ইসরায়েলে দু’জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, কাতার, সৌদি আরব, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে হামলার সাইরেন বাজতে শোনা গেছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, আমাতের সশস্ত্র বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইন্টারসেপ্ট করেছে। অন্যদিকে, কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড সাতটি মানবহীন ড্রোন ভূপাতিতের কথা জানিয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত
অন্যদিকে, লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। রাজধানী বৈরুতে তীব্র শব্দ শোনা গেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে। এই ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।
