ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামির হুমকি: লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে 'চূড়ান্ত জবাব'
ইরানের সেনাপ্রধানের হুমকি: লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ

ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামির হুমকি: লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে 'চূড়ান্ত জবাব'

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানির নিহত হওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী কঠোর প্রতিশোধের হুমকি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে 'চূড়ান্ত জবাব' দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যেই পালটা হামলা শুরু করেছে।

সেনাপ্রধান আমির হাতামির বিবৃতি

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এই হত্যাকাণ্ডের জবাব 'চূড়ান্তভাবে' দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র এবং রক্তপিপাসু জায়নিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে এমন জবাব দেওয়া হবে, যা হবে সিদ্ধান্তমূলক, প্রতিরোধমূলক এবং অনুতাপ সৃষ্টিকারী।'

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আলী লারিজানি এবং অন্যান্য 'শহিদদের' মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এই হুমকি ইরানের ক্রমবর্ধমান প্রতিক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর পালটা হামলা

সেনাবাহিনী থেকে আলাদা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইতোমধ্যেই ইসরাইলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এএফপি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

ইসরাইলের দাবি ও পূর্ববর্তী ঘটনাবলী

এর আগে ইসরাইল জানায়, তারা এক হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যা করেছে এবং দেশটির নেতাদের 'খুঁজে বের করা অব্যাহত রাখবে'। ইরানের ওপর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পর থেকে দেশটির অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন।

ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রথম দিনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘোষণা দেয়া হয়। প্রথম দফার হামলায় আরও নিহত হন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী শামখানি
  • প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ
  • বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর
  • সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ আবদুল রাহিম মুসাভি

এই ঘটনাগুলো ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার তীব্রতা এবং এর ফলাফলকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।