ইসরাইলের গোয়েন্দা সদর দপ্তর ও বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি
ইসরাইলে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

ইসরাইলের গোয়েন্দা সদর দপ্তর ও বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের সদর দপ্তর এবং দুটি সামরিক বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। ইরানের সেনাবাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই হামলার লক্ষ্য ছিল তেল আবিবে অবস্থিত শিন বেতের প্রধান কার্যালয় এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান ঘাঁটি।

হামলার লক্ষ্যবস্তু ও অবস্থান

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (আইআরএনএ) জানিয়েছে, ড্রোন হামলাগুলো ‘পালমাচিম’‘ওভদা’ বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। পালমাচিম বিমান ঘাঁটি ভূমধ্যসাগর উপকূলের কাছে ইয়াভনে শহরের পশ্চিমে অবস্থিত, অন্যদিকে ওভদা বিমান ঘাঁটি ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। এই দুটি ঘাঁটি ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

এই হামলার বিষয়ে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বৈরিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গত কয়েক বছরে উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি ও পরোক্ষ সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, এবং এই ড্রোন হামলার দাবি সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের সেনাবাহিনী হামলার সফলতা নিয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হামলার বিস্তারিত বিবরণ এখনও স্পষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

এই হামলার পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক কার্যক্রম এবং ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয়গুলোও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।