ট্রাম্পের দাবি: ইরানের ৪২টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস, সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
ট্রাম্পের দাবি: ইরানের ৪২টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস

ট্রাম্পের দাবি: ইরানের সামরিক শক্তির ওপর মারাত্মক আঘাত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে দেশটির নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যোগাযোগ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছেন। সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের অন্তত ৪২টি যুদ্ধজাহাজ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ফ্লোরিডায় দেওয়া বক্তব্যে বিস্তারিত দাবি

ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনীর হামলার ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, নৌবাহিনীর পাশাপাশি দেশটির বিমানশক্তির একটি বড় অংশ এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাও অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, পূর্ববর্তী মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তার মতে, এই হামলার আগে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। বর্তমান অভিযানকে তিনি ‘বড় সাফল্য’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এসব হামলা ইরানের সামরিক শক্তির ওপর চূড়ান্ত আঘাত হেনেছে।

সংঘাতে মার্কিন সেনাসদস্যদের মৃত্যু ও আনুষ্ঠানিকতা

ইরানের সঙ্গে চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আজ পরে ডেলাওয়ারের ডোভার এয়ারফোর্স বেসে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে নিহত এই ছয় সেনার মরদেহ হস্তান্তরের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় তিনি যোগ দেবেন।

ট্রাম্পের এই নতুন দাবির বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনও এই বিষয়ে সরকারি প্রতিক্রিয়া জানায়নি, যা পরিস্থিতির জটিলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

এই সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই দাবিগুলো যদি সত্য হয়, তাহলে ইরানের সামরিক শক্তি দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনও কোনো স্বীকৃতি বা প্রতিবাদ না আসায় পরিস্থিতি অস্পষ্ট রয়ে গেছে।