ইসরাইলে নতুন দফার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে ইরান থেকে নতুন দফায় বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলাগুলো মধ্য ইসরাইলের দিকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।
বাসিন্দাদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে
সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী একটি বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছে, 'প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে এবং আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।' এই পদক্ষেপগুলো নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত হয়েছে।
পটভূমি: ইরানের পরমাণু সংলাপ ও সামরিক উত্তেজনা
প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলছিল। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই সেই সংলাপের সমাপ্তি ঘটে। এর পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান 'অপারেশন রোয়ারিং লায়ন' শুরু করে ইসরাইলও।
ইরানের পাল্টা হামলা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এখনো হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে তারা নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
