ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলার ষষ্ঠ দিন, নিহতের সংখ্যা হাজারের ওপরে
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলা বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পর্যন্ত ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। এই হামলার ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ তেহরানের বহু শীর্ষ কর্মকর্তা ও কমান্ডার নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যা এই সংঘাতের ভয়াবহতা তুলে ধরছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি ও হোয়াইট হাউজের বক্তব্য
বুধবার (৪ মার্চ) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের ২০টির বেশি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে এবং ৪৯ জন ইরানি শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, দেশটিতে দুই হাজারের বেশি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। ক্যারোলিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অসাধারণ অভিযানে ইরানের পুরো আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ নেওয়া দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা এই যুদ্ধের গতিপথ নির্দেশ করছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানি শাসনব্যবস্থা একেবারে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে অনেক ভালো করছি, যা মার্কিন অবস্থানকে শক্তিশালী করে তুলছে।
কুর্দি যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ ও স্থল অভিযান
সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে লড়তে মার্কিন মদদপুষ্ট কুর্দি যোদ্ধারা যোগ দিয়েছে। ইতোমধ্যে কুর্দি যোদ্ধারা ইরানের সীমান্ত অতিক্রম করেছে এবং তারা দেশটির বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, যা এই সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এই হামলার ফলে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই সংঘাতের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
