ইরানে আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, হামলায় নিহত খামেনি
ইরানে আইআরজিসি কেন্দ্র ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানে মার্কিন হামলায় আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংসের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু ও পরিণতি

মার্কিন বাহিনী আইআরজিসির কমান্ড ও কন্ট্রোল সুবিধা ছাড়াও ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চ সাইট এবং সামরিক বিমানঘাঁটি ধ্বংস করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযানে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করা হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ সুবিধাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের শত শত লক্ষ্যবস্তুতে যৌথ হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র, নৌবাহিনী এবং কমান্ড ও কন্ট্রোল সাইট। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও তার স্ত্রীসহ বহু মানুষ নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও প্রতিক্রিয়া

ইরান-ইসরাইল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই হামলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক অবকাঠামোকে দুর্বল করে দেওয়া। একইসঙ্গে ইসরাইলের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলার দাবিও এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এই ঘটনায় ইরানের প্রতিক্রিয়া এখনো স্পষ্ট নয়, তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন যে এই হামলা মধ্য প্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর যৌথ অপারেশন ইরানের সামরিক সক্ষমতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।