ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলায় খামেনির স্ত্রীও নিহত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার স্ত্রীও মারা গেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হন। প্রথমদিকে এ তথ্য নিশ্চিত না হলেও পরে ইরানি কর্তৃপক্ষ তা স্পষ্ট করে।
হামলায় চারজন নিহত
একই হামলায় খামেনির মেয়ে ও নাতনিও নিহত হন। খামেনির স্ত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ সোমবার (২ মার্চ) দেশটির জাতীয় প্রচার মাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।
হামলাটি ঘটে খামেনির কার্যালয় ও বাসভবনে। ইরানজুড়ে খামেনির নিহতের তথ্য ছড়িয়ে পড়লে তার ছবি হাতে নাগরিকরা বিক্ষোভ করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, হামলার সময় খামেনির স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের নিহত হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ হামলার তথ্য ধীরে ধীরে নিশ্চিত করছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির স্ত্রী হামলার পর থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় ইরানে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নাগরিকদের বিক্ষোভ চলছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা এখনও চলমান পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এ ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন।



