আবার যুদ্ধ হলে শত্রুর সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ করবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড
ইরানের বিপ্লবী গার্ড: যুদ্ধ হলে শত্রুর সম্পদ ধ্বংস

আবার যুদ্ধ হলে শত্রুর সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ করবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি বুধবার একটি কঠোর হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, আবার যুদ্ধ হলে শত্রুর বাকি সব সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া হবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই খবর নিশ্চিত করেছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর সতর্কতা

ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আমেরিকার সামরিক কমান্ডাররা বারবার হুমকি দিয়ে চলেছেন। জোলফাঘারি বলেন, ‘আমাদের সক্ষম ও শক্তিশালী বাহিনী অনেক আগে থেকেই ১০০ শতাংশ প্রস্তুত অবস্থায় আছে এবং ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত রয়েছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বা যেকোনো পদক্ষেপের ক্ষেত্রে ইরানের বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে এবং শক্তিশালীভাবে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করবে।’

ট্রাম্পের ঘোষণার প্রেক্ষাপট

এই বিবৃতি আসে ট্রাম্পের একটি ঘোষণার পর। মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরানের বন্দরে মার্কিন নৌ অবরোধ বহাল থাকবে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তেহরান একটি ‘একীভূত প্রস্তাব’ না দেওয়া পর্যন্ত অবরোধ বজায় রাখতে এবং যুদ্ধবিরতি বাড়াতে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইআরজিসির কঠোর বার্তা

এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসিও সতর্কবার্তা দিয়েছে। মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ‘লড়াই আবার শুরু হলে শত্রুর বাকি সম্পদে চূর্ণবিচূর্ণ আঘাত করা হবে’। আইআরজিসি বলেছে, এই ‘নীরব যুদ্ধক্ষেত্রে’ সতর্ক থাকা দরকার। ‘তথাকথিত যুদ্ধবিরতির’ সময়েও শত্রুর তৎপরতার ওপর কড়া নজর রাখতে হবে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। উভয় পক্ষের কঠোর বক্তব্য শান্তি আলোচনার সম্ভাবনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।