যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে ৪০ দেশের নেতারা হরমুজ প্রণালি চালু ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন
যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে ৪০ দেশের নেতারা হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে আজ অন্তত ৪০টি দেশের নেতাদের নিয়ে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হলো বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর উদ্যোগ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নেতারা প্রণালিটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালির বর্তমান অবস্থা ও ইরানের ভূমিকা

সিএনএনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্যান্য জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে। এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে, কারণ হরমুজ প্রণালি মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির একটি প্রধান পথ হিসেবে বিবেচিত। অপরদিকে, গত সোমবার ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বৈঠকের উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য ফলাফল

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স আয়োজিত এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে প্রায় ৪০টি দেশের নেতারা ইরানের যুদ্ধবিরতি সমর্থনের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বনেতারা প্রণালিটি আবার চালু করতে একটি আন্তর্জাতিক মিশন গঠনের উদ্যোগ নেবেন, যা যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মিশনের লক্ষ্য হবে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  • বিশ্ব বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা
  • আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা

বৈঠকটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং জটিল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সমাধান খোঁজার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, বিশেষ করে তেল ও গ্যাসের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে।