ট্রাম্পবিরোধী 'নো কিংস' বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, হলিউড তারকা থেকে সাধারণ মানুষ
ট্রাম্পবিরোধী 'নো কিংস' বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পবিরোধী 'নো কিংস' বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনিক নীতির বিরুদ্ধে 'নো কিংস' বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, ওরেগন, ক্যালিফোর্নিয়া এবং লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন শহরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের নীতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন, যা দেশজুড়ে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ

ট্রাম্পবিরোধী 'নো কিংস' বিক্ষোভে নেমেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তাঁর সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস এবং প্রবীণ রাজনীতিক আল শার্পটন প্রমুখ। তাদের উপস্থিতি বিক্ষোভকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে এবং গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বিক্ষোভের বিভিন্ন দৃশ্য

বিক্ষোভকারীরা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই–আইস) এর প্রতীকী পোশাক পরে অংশ নিয়েছেন, যা ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদের একটি অংশ। ওরেগনে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয় এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়। মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনীর সাঁজোয়া যানের ওপর বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড রেখে যান, যা তাদের দাবির প্রতীক হিসেবে কাজ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশি পদক্ষেপ ও উত্তেজনা

লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ক্যালিফোর্নিয়ায়, পুলিশ কর্মকর্তারা ফেডারেল ভবনের বাইরে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীরা সেটা সরানোর চেষ্টা করেন। কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার পর অনেক বিক্ষোভকারী আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে দেখা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্টরাও বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন ছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতীকী প্রতিবাদ

বিক্ষোভকারীরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথায় মুকুট পরানো ছবি নিয়ে নানা রঙের পোশাক পরে অংশ নেন, যা 'নো কিংস' বা 'কোনো রাজা নয়' শ্লোগানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রতীকী কর্মকাণ্ড ট্রাম্পের কর্তৃত্ববাদী নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানকে স্পষ্ট করে।

এই বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিভাজন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি আগামী দিনগুলোতে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।