মার্কিন ভিসা থাকলেও প্রবেশ নিশ্চিত নয়: ঢাকার দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা থাকলেই দেশটিতে প্রবেশের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না বলে সতর্ক করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। শনিবার (২৮ মার্চ) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক জরুরি সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
দূতাবাস স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং অবস্থানের মেয়াদ নির্ধারণের পূর্ণ ক্ষমতা থাকে প্রবেশস্থলের (পোর্ট অব এন্ট্রি) ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার হাতে। একটি ইউএস ভিসা থাকা মানেই যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের শতভাগ নিশ্চয়তা নয়।
একজন ভ্রমণকারী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা এবং কতদিন সেখানে অবস্থান করতে পারবেন, তার শর্তাবলি নির্ধারণ করেন সংশ্লিষ্ট প্রবেশস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। অর্থাৎ, ভিসা থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা চাইলে যে কাউকে প্রবেশে বাধা দিতে পারেন।
ভিসা লঙ্ঘনের গুরুতর পরিণতি
ভিসাধারীদের সতর্ক করে পোস্টে আরও বলা হয়েছে, পারমিটের মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা বা ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত নয় এমন কোনো কাজে জড়িত হওয়া গুরুতর অপরাধ। উদাহরণস্বরূপ, টুরিস্ট ভিসায় গিয়ে চাকরি করা এই ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের অন্তর্ভুক্ত।
এ ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে। মার্কিন দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, সঠিকভাবে ভিসা ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে ভ্রমণকারীর নিজস্ব দায়িত্ব।
ভবিষ্যত ভ্রমণের সুযোগ নির্ভর করে নিয়ম মেনে চলার ওপর
নিয়ম মেনে দেশটিতে অবস্থান এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে আসার ওপরই পরবর্তী ভিসা প্রাপ্তি বা ভ্রমণের সুযোগ নির্ভর করে। সম্প্রতি ভিসা জালিয়াতি এবং অতিরিক্ত সময় অবস্থানের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবেই দূতাবাস থেকে নিয়মিত বিরতিতে এমন সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই সতর্কবার্তা মার্কিন ভিসা প্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বহন করে। ভিসা থাকা সত্ত্বেও প্রবেশে বাধা পাওয়ার সম্ভাবনা এবং নিয়ম লঙ্ঘনের দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য।



