কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। বুধবার ক্যাম্প ৫-এ সংঘটিত এই ভূমিধসে অন্তত চার মেয়ে প্রাণ হারিয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ে কাজ চলছে
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ জানিয়েছে, ভূমিধসের সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। সংস্থাটি নিহতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত সকলের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে বাড়ছে ঝুঁকি
মঙ্গলবার ক্যাম্পগুলোতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নয়জন নিহত হওয়ার একদিন পর এই ঘটনা ঘটল। এতে করে মৌসুমি বর্ষায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসরত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য যে মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ইউনিসেফ সতর্ক করে বলেছে, টানা ভারী বৃষ্টিপাত ক্যাম্পগুলোতে আরও বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে, যা জীবনহানি ঘটাতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
জরুরি প্রতিক্রিয়ায় সমন্বয়
সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ও তাদের অংশীদাররা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া কার্যক্রমে সহায়তার জন্য সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করছে। চাহিদা শনাক্ত হওয়ার সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে ইউনিসেফ।
বাংলাদেশ সরকার ও মানবিক অংশীদারদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে ইউনিসেফ বলেছে, মৌসুমি বর্ষায় শিশুদের নিরাপদ রাখতে এবং স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি, সুরক্ষা, মনোসামাজিক সহায়তা ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো যেখানে সম্ভব নিশ্চিত করতে তারা কাজ চালিয়ে যাবে।



