ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন ইতোমধ্যে ৬ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে।
টাইফুনের গতিপথ ও প্রস্তুতি
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, টাইফুন ‘বাভি’ বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যেতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরিয়ে নেওয়া এসব মানুষকে স্কুল, কলেজ ও সরকারি ভবনে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জনসরানোর পরিসংখ্যান
সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত ৬ লাখ ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরানো হয়েছে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা থেকে। প্রতিটি উপজেলায় পৃথক কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানান, ‘আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছি। টাইফুন মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’ উদ্ধারকারী দল ও নৌবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
টাইফুনের সম্ভাব্য প্রভাব
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, টাইফুন ‘বাভি’ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ৪ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’



