কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণে আবার পাহাড় ধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে লিমা আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় তার স্বামী জসিম উদ্দিন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনার বিবরণ
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ২টার দিকে সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজিঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গত দুই দিনে পাহাড় ধসে ১১ জনের মৃত্যু হলো। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লিমা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ফিস ফ্রাই বিক্রি করতেন। আজ দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের বসতবাড়ির ওপর পড়ে। এতে লিমা ও তার স্বামী জসিম মাটির নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক লিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উদ্ধার অভিযান
এ ঘটনায় পাহাড়ের নিচে থাকা আরও কয়েকটি ঘর মাটিচাপা পড়েছে। সেখানে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘টানা ভারী বর্ষণের কারণে বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি এখনও অনেক বেশি। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।’
স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তার স্বামী আহত হয়েছেন। আরও কেউ চাপা পড়েছে কিনা, সেজন্য উদ্ধার অভিযান চলছে।’



