চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যায় গ্রামের পর গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি ও নদীবাঁশখালী নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট এ বন্যায় শত শত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ত্রাণ নিয়ে ফিরছেন কয়েকজন বন্যাকবলিত মানুষ, কেউ কেউ ঘরের চালে আশ্রয় নেওয়া মুরগি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।
বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি ও ক্ষয়ক্ষতি
ভাঙা ঘরের সামনে দিয়ে যাচ্ছেন এক বৃদ্ধ। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে বন্যায় বিধ্বস্ত নিজ ঘর খতিয়ে দেখছেন মো. মনজুর আলম নামের এক যুবক। ভেঙে পড়া একটি টিনের ঘরের দৃশ্য দেখা গেছে। ভেঙে পড়া মাটির ঘরের দরজায় শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে অসহায়ভাবে বসে আছেন রিমা আক্তার। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ঘরের দরজা থেকে উঁকি দিচ্ছেন সাজেদা বেগম।
পানিবন্দি জনজীবন
ঠেস দিয়ে কাঁচা ইটের দেয়াল রক্ষা করার চেষ্টা করছেন মোহাম্মদ ইউনুস নামের এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি। চারদিকে বন্যার ভয়াল থাবার ছাপ। এর মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের বারান্দায় চিন্তিতভাবে বসে আছেন মাহাতাব আলী নামের এক বৃদ্ধ। দুই হাতে ভেঙে যাওয়া দেয়ালের মাটি সরাচ্ছেন নূর বেগম নামের এক নারী। খড়ের স্তুপসহ (কুইরগ্যা) উঠানের অন্যান্য জিনিস এখনো হাঁটুপানিতে ডুবে আছে।
বাহারছড়া ইউনিয়নের অবস্থা
পানিতে ডুবে থাকা বাহারছড়া ইউনিয়নের একাংশের দৃশ্য দেখা গেছে। বাহারছড়া ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম এভাবে জলমগ্ন হয়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, এ পর্যন্ত কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। ত্রাণ কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে।



