বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.২। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে।
ভূমিকম্পের বিবরণ
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে, যার গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বিভিন্ন জায়গায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ক্ষয়ক্ষতি ও সতর্কতা
ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে কর্তৃপক্ষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর জানিয়েছে, তারা প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
জনগণের প্রতিক্রিয়া
ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। বিশেষ করে উঁচু ভবনের বাসিন্দারা কম্পন বেশি টের পান। ঢাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'হঠাৎ করে বিল্ডিং কাঁপতে থাকলে আমি ভয় পেয়ে যাই। দ্রুত নিচে নেমে আসি।'
ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত। তাই সব সময় প্রস্তুত থাকা জরুরি। সরকার ইতিমধ্যে ভূমিকম্প মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণের নিয়ম করা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা।



