চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে, যান চলাচলে বিঘ্ন
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রেলপথের পর এবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কও পানিতে তলিয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার পাঠানীপুল এলাকায় সড়ক তলিয়ে যায়। ওই এলাকার মহাসড়ক দুই থেকে আড়াই ফুট তলিয়ে গেছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

পূর্বের ঘটনা: রেললাইন ডুবে যাওয়া

এর আগে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুরের নিকটবর্তী এলাকায় রেললাইন ডুবে যায়। এ কারণে ওই দিন থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এবার সড়ক পথও পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটল।

হাইওয়ে পুলিশের বক্তব্য

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আজ সকাল থেকে চন্দনাইশের পাঠানীপুলের বড়পাড়া এলাকায় মহাসড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। প্রায় ৫০০ মিটার এলাকায় সড়কের ওপর দুই থেকে আড়াই ফুট উচ্চতায় পানি রয়েছে। তবে দূরপাল্লার বাসসহ সব ধরনের যানবাহন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করছে। হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং পথচারীদের সহায়তা করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ

জানতে চাইলে প্রত্যক্ষদর্শী ও চন্দনাইশের বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি চন্দনাইশ পৌরসভার দক্ষিণ গাছবাড়িয়া এলাকা থেকে দোহাজারীতে তাঁর কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে হাসিমপুরের পাঠানীপুলের বড়পাড়া থেকে দোহাজারী পৌরসভার জাসিম কনভেনশন হল পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় মহাসড়কের ওপর দিয়ে তীব্র স্রোতে পানি প্রবাহিত হতে দেখেন। এ কারণে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ওই অংশ পার হতে রাজি হয়নি। পরে তিনি কোমরসমান পানির স্রোত পায়ে হেঁটে পার হন। এতে তাঁর প্রায় আধা ঘণ্টা সময় লেগেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপজেলা প্রশাসনের তথ্য

চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বুধবার রাত থেকে উপজেলার ধোপাছড়ি, সাতবাড়িয়া ও বরকল ইউনিয়ন, দোহাজারী পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড এবং চন্দনাইশ পৌরসভার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তবে বৃষ্টি কমলে এবং বান্দরবানের দিক থেকে নেমে আসা ঢলের পানি কমে গেলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন।