কেরাণীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নিহত বেড়ে ৬
কদমতলীতে কারখানা আগুন: নিহত ৬, আহত ২

কেরাণীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

রাজধানী ঢাকার কেরাণীগঞ্জ উপজেলার কদমতলী এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুই ব্যক্তি, যাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আগুনের সূচনা ও উদ্ধার অভিযান

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলীর ওই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার সংবাদ পাওয়া যায়। খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে।

আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পরবর্তীতে একে একে মোট ৭টি ইউনিট কাজে যোগ দেয়। ফায়ার সার্ভিসের এই সাত ইউনিটের সোয়া ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি

এর আগে শনিবার বিকালে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানিয়েছিলেন, পাঁচজনের লাশ এবং একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে আরও একজনের লাশ উদ্ধার হওয়ায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে পৌঁছেছে।

এছাড়া আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও দুজনকে, যাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কারখানাটিতে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা প্রশ্ন

এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, তারা এখনও আগুন লাগার সঠিক কারণ অনুসন্ধান করছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানায় থাকা দাহ্য পদার্থের সংস্পর্শে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উপর জোর দিয়েছেন।