কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা বাড়ার শঙ্কা
কেরানীগঞ্জ কারখানা অগ্নিকাণ্ড: পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার

কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে একটি গ্যাসলাইট কারখানায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত পাঁচ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ৪ মার্চ, শনিবার। ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল ইসলাম শনিবার বিকেলে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় ও উদ্ধার অভিযান

শনিবার বেলা ১টা ১১ মিনিটে কারখানায় আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। তারা প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উদ্ধারকর্মীরা পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহগুলো বের করে আনতে সক্ষম হয়, যা একটি বেদনাদায়ক দৃশ্যের সৃষ্টি করে।

মৃতের সংখ্যা বাড়ার শঙ্কা

ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল ইসলামের মতে, এই অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ কারখানার ভেতরে আরও মানুষ আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উদ্ধার অভিযান চলমান থাকার কথা উল্লেখ করে বলেন, পুরো পরিস্থিতি পরিষ্কার হতে কিছু সময় লাগবে। স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা দলগুলো ঘটনাস্থলে তৎপর রয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিক বা বৈদ্যুতিক ত্রুটিকে সন্দেহ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধ করা যায় এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

এই মর্মান্তিক ঘটনা শিল্প নিরাপত্তার গুরুত্বকে আরও একবার সামনে নিয়ে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ