চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকে নতুন সরকারের সাথে কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ হিসেবে দেখছে বেইজিং। সোমবার বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর
গুও জিয়াকুন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ থেকে ২৬ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অফিসিয়াল সফরে যাচ্ছেন। এটি তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম চীন সফর। সফরের সময় তিনি চীনা নেতাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সামার দাভোসে অংশগ্রহণ
সফরকালে তারেক রহমান উত্তর-পূর্ব চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ডালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ১৭তম বার্ষিক সামার দাভোসেও অংশ নেবেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, আলোচনা চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে সহায়ক হবে।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি
চীন ও বাংলাদেশকে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে গুও জিয়াকুন বলেন, উভয় দেশের নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি যোগ করেন, দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক আস্থা শক্তিশালী হয়েছে এবং বাস্তব সহযোগিতা ইতিবাচক ফল দিয়েছে, যা উভয় দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুবিধা বয়ে এনেছে।
বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা
চীনা মুখপাত্র আরও বলেন, বেইজিং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এগিয়ে নিয়ে যেতে, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) অধীনে উচ্চমানের সহযোগিতা ত্বরান্বিত করতে, বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়ে সমন্বয় জোরদার করতে আশাবাদী।



