প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সম্ভাব্য চীন-বাংলাদেশ করিডোর প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, “যেকোনও কানেক্টিভিটি যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা করে করা যায়, সরকার সেটিকে ইতিবাচকভাবে দেখে।” মঙ্গলবার (৩০ জুন) তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
মিয়ানমার ও আঞ্চলিক বাস্তবতা
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “মিয়ানমার হয়ে যে করিডোর বা কানেক্টিভিটির কথা বলা হচ্ছে, সেখানে অনেক ভেরিয়েবল আছে। মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশের স্বার্থ, আঞ্চলিক বাস্তবতা—সবকিছু যাচাই-বাছাই করতে হবে। আগে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ-ভারত মিলেও এক ধরনের কানেক্টিভিটির আলোচনা ছিল, আবার ভারত-বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান কানেক্টিভিটির আলোচনাও হয়েছে।”
মাল্টিমোডাল ও মাল্টিসেক্টর কানেক্টিভিটি
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, “সরকার মাল্টিমোডাল, মাল্টিকান্ট্রি ও মাল্টিসেক্টর কানেক্টিভিটি চায়। তবে সবকিছু হবে ফিজিবিলিটি যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে।” তিনি স্পষ্ট করেন, যেকোনও সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে এবং বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে এই করিডোর বিষয়টি আলোচনার অন্যতম এজেন্ডা থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব দিক বিবেচনা করা হবে।



