ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দখলদার দেশটির সেনাবাহিনীকে লেবাননে স্থল অভিযান আরও এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তার এই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। খবর আল-জাজিরা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের।
দক্ষিণ লেবাননে নতুন অবস্থান
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বেউফোর্ট ক্যাসেল এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর নতুন অবস্থান বজায় থাকবে। এই অঞ্চলটি ভবিষ্যতে একটি সম্প্রসারিত ‘নিরাপত্তা জোন’-এর অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই এই নিরাপত্তা জোন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করে আসছে।
উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হচ্ছে, দক্ষিণ লেবানন থেকে আসা ড্রোন হামলা এবং রকেট আক্রমণ কমানো। ইসরাইল দাবি করে যে, এই হামলাগুলো সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে এ নিয়ে সন্দেহ ও বিতর্ক রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতামত
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, কেবল দক্ষিণ লেবাননে স্থল সেনা মোতায়েন বাড়িয়েই ড্রোন হামলা কার্যকরভাবে কমানো কঠিন হতে পারে। কারণ এসব ড্রোন প্রযুক্তিগতভাবে ভিন্নভাবে পরিচালিত এবং দূরবর্তী স্থান থেকেও নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ইসরাইলের ভেতরে এই সামরিক কৌশল কতটা সফল হবে—তা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে ক্রমেই আলোচনা ও সমালোচনা বাড়ছে।



