তাইওয়ানই চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ইস্যু: শি জিনপিং
তাইওয়ানই চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ইস্যু

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, ‘তাইওয়ানই চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।’ চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য জানিয়েছে।

বেইজিংয়ে ট্রাম্পের আগমন

স্থানীয় সময় বুধবার (১৩ মে) বেইজিং পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। ২০১৭ সালের পর এটিই ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর।

গ্রেট হলে বৈঠক

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্প ও জিনপিং। এ বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই ইস্যুটি সঠিকভাবে মোকাবিলা করা গেলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে। অন্যথায়, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত এমনকি সরাসরি বিরোধও সৃষ্টি হতে পারে, যা পুরো সম্পর্ককে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা এবং তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি—এই দুটি বিষয় আগুন ও পানির মতো একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ।’

ট্রাম্পের আশাবাদ

এদিকে, জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ভালো হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের বক্তব্যের শুরুতে ট্রাম্প মার্কিন প্রতিনিধিদলকে ‘দারুণ’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বড় বড় কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে জানান, তিনি তাদের আলোচনার জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সবাই এই শীর্ষ বৈঠক নিয়ে আলোচনা করছে। ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আপনার সঙ্গে থাকতে পারা আমার জন্য সম্মানের। আপনার বন্ধু হতে পারাও সম্মানের। আর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভালো হবে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট, এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির জন্য এই ইস্যুটি সমাধান করা জরুরি। অন্যদিকে, ট্রাম্পের আশাবাদী মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে তিনি বাণিজ্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে চান।