ভেনেজুয়েলায় বুধবার (২৪ জুন) এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর পর থেকে দেশটিতে ২০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো—লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফালকোন রাজ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বৈদেশিক সহায়তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেরেমি লিউইন জানান, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘এই মর্মান্তিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর গুরুত্বপূর্ণ প্রথম কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সম্পদ পাঠাবে।’
ভূমিকম্পের বিবরণ
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২ এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল কারাবোবো অঙ্গরাজ্যে, রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।
প্রাণহানির শঙ্কা
ইউএসজিএস-এর মতে, দ্বিতীয় প্রধান ভূমিকম্পটির ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এতে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং ১ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা ৩০ শতাংশ।
মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়া
মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে ঈশ্বর আমাদের ভেনেজুয়েলীয় বন্ধুদের সহায় হোন। শক্ত থাকো, ভেনেজুয়েলা! আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।’
অন্যদিকে, বৈশ্বিক জনকূটনীতি বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিলান জনসন জানান, কারাকাসে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সব কর্মীর খোঁজ নেওয়া হয়েছে এবং তারা সবাই নিরাপদ আছেন।



