ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের লক্ষণে শিশু ভর্তি: ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩৬ জন, চিকিৎসাধীন ১১৭
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে শিশু ভর্তি: নতুন ৩৬ জন

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের প্রাদুর্ভাব: শিশুদের চিকিৎসা অব্যাহত

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি শিশুদের জন্য বিশেষায়িত হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি, এই হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে আরও ৩৬ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে, যা বর্তমানে চিকিৎসাধীন শিশুদের সংখ্যা ১১৭-এ উন্নীত করেছে।

হাসপাতালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও চিকিৎসা ব্যবস্থা

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে ৩৬ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে আজ সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ৫৭৭ জন শিশু ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৪৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, এই সময়ে ১৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে আরও ১০ শিশু ছাড়া পেয়েছে, যা একটি ইতিবাচক সংকেত।

হামের প্রাদুর্ভাবের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে হামের লক্ষণ নিয়ে এক-দুজন করে শিশু ভর্তি হতে শুরু করে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে, যা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে তোলে। রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ৬৪ শয্যাবিশিষ্ট একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে কার্যকর চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, "গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৬টি শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে, তবে এই সময়ে নতুন কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। আমরা চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করে শিশুদের সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করছি।" তার মতে, হাসপাতালের চিকিৎসা দল নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও যত্নের মাধ্যমে রোগীদের সেবা প্রদান করছে।

এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হামের বিস্তার রোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রমে আরও মনোযোগ দিচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।