কোরবানি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আদায় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। নির্দিষ্ট সময়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে তাকে কোরবানি দিতে হবে। কোরবানি শব্দটি আরবি। এর অর্থ নৈকট্য লাভ করা, অতি নিকটে পৌঁছানো, বা উৎসর্গ করা।
কোরআনে কোরবানির নির্দেশনা
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও।' (সুরা হজ, আয়াত: ৩৪)
কোরবানির পশুর গোশতের নিষিদ্ধ অংশ
ইসলামে কোরবানির পশুর গোশত খাওয়া হালাল হলেও কিছু অংশ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে রক্তকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন হাদিসে পশুর কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খাওয়ার বিষয়ে অনীহা ও নিষেধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। নবীজি (সা.)-এর বর্ণনায় এসব বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা এসেছে বলে বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে।
হাদিসের বর্ণনা
হাদিসের একাধিক বর্ণনায় এসেছে, বিখ্যাত তাবেয়ি হজরত মুজাহিদ (রহ.) বর্ণনা করেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরির সাত জিনিস খাওয়াকে অপছন্দ করেছেন। তা হলো- প্রবাহিত রক্ত, পিত্ত, মূত্রথলি, মাংসগ্রন্থি, নর পশুর গুপ্তাঙ্গ, মাদি পশুর গুপ্তাঙ্গ এবং অণ্ডকোষ। (বায়হাকি)



