আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুহিত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।
ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য ও সময়সূচি
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। নির্ধারিত দিনে যে সব শিশু ক্যাপসুল খেতে পারবে না, তারা পরের দিন নিজ নিজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সেবা নিতে পারবে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোর জন্য ১২ জেলার ৫৮টি উপজেলায় আরও চার দিন ক্যাম্পেইন চলবে।
ক্যাপসুলের ধরন ও বিতরণ
৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের একটি করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী এবং ৫০০ অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভিটামিন এ-এর অভাবে বাংলাদেশে শিশুদের অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ দেখা দিত, কিন্তু নিয়মিত ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
ইউনিসেফের সহায়তা
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবারের ক্যাম্পেইনের জন্য ৪০ লাখ নীল এবং ২ কোটি ২০ লাখ লাল ক্যাপসুল সরবরাহ করেছে। ইতোমধ্যে বিতরণ শুরু হয়েছে এবং শুক্রবারের মধ্যে সব কেন্দ্রে ক্যাপসুল পৌঁছে যাবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন, শিশুদের খালি পেটে ক্যাপসুল না খাওয়াতে এবং তীব্র অসুস্থতা ছাড়া সব যোগ্য শিশুকে ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রাইহান উপস্থিত ছিলেন।



