বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘জেএন.১’ শনাক্ত হয়েছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, সম্প্রতি দেশে এই ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হয়েছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
কী বলছে আইইডিসিআর
আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘জেএন.১ ভ্যারিয়েন্টটি অত্যন্ত সংক্রামক হলেও এটি আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় বেশি মারাত্মক নয়। আমরা ইতিমধ্যে এর জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছি এবং এটি নিয়ে গবেষণা চলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই ভ্যারিয়েন্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, কিন্তু টিকা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।’
সংক্রমণের হার ও প্রস্তুতি
গত সপ্তাহে দেশে করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা বেড়েছে। আইইডিসিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৩ জনের নমুনায় জেএন.১ ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে এবং হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ইতিমধ্যে জেএন.১ ভ্যারিয়েন্টকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভ্যারিয়েন্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও টিকা ও বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি কম।
সরকারের পদক্ষেপ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। প্রয়োজনে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। তবে আপাতত আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’



