প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রীর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সম্মেলন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার সকাল ১১টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই সম্মেলনটি শুরু হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রীর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য

এই সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কার্যক্রম আধুনিকীকরণ করা, যাতে তারা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পারেন। এছাড়াও, মাঠপর্যায়ের সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সরকারি নির্দেশনা প্রদান করাও এই সম্মেলনের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনে উপস্থিত থেকে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং তাদের কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করেছেন। তিনি জনস্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বাকুল, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রবাত চন্দ্র বিশ্বাস। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।

সেরা কর্মকর্তাদের পুরস্কার প্রদান

এই উপলক্ষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেরা কর্মক্ষমতা প্রদর্শনকারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন। এই পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে সরকার কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে চায়, যাতে তারা আরও দক্ষতার সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে পারেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সম্মেলনটি স্বাস্থ্যখাতে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এটি প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।