ই-হেলথ কার্ড বিতরণের উদ্যোগ: প্রথমে পাবেন খুলনা, নোয়াখালীসহ পাঁচ জেলার বাসিন্দা
সরকার জনগণকে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কার্ড বিতরণ হবে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেন, ই-হেলথ কার্ড বিষয়ক একটি প্রকল্প বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনগণকে এই কার্ড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই কার্ডটি ইলেকট্রনিক রোগী ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, যা স্বাস্থ্য সেবাকে আরও ডিজিটাল ও কার্যকর করে তুলবে।
প্রথম পর্যায়ে পাঁচ জেলা
ই-হেলথ কার্ড বিতরণের প্রথম পর্যায়ে পাঁচটি জেলার বাসিন্দারা এই সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ
একই অধিবেশনে চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর একটি প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাদানের মান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে ইংরেজি বিষয়ের ওপর নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের সময়সীমা বা বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে উল্লেখ করা হয়নি।
সরকারের এই উদ্যোগ স্বাস্থ্য খাতে ডিজিটালাইজেশন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়নের দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ই-হেলথ কার্ড প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে তা দেশের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।



