স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘ওলবাচিয়া পদ্ধতির মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টা জোরদার করতে পাইলট প্রকল্প বিবেচনা করা হচ্ছে।’ আজ বুধবার (৬ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ওলবাচিয়া পদ্ধতির মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করতে এক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড মশা প্রোগ্রামের সঙ্গে সমঝোতা
অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দফতরে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড মশা প্রোগ্রাম (ডাব্লুএমপি) বাংলাদেশে এই প্রমাণ-ভিত্তিক কাজ বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছিল।
প্রস্তাবিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা
সাক্ষাৎকালে ঢাকার উত্তরাঞ্চলে শুরু হতে যাওয়া ওলবাচিয়া ইন্টারভেনশনের প্রস্তাবিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ডব্লিউএমপির অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড এক্সটার্নাল রিলেশনস ডিরেক্টর ড. ক্লডিয়া সুরজাজাজা।
মন্ত্রীর নির্দেশনা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ডাব্লিউএমপি’র মধ্যে আন্তঃসহযোগিতাকে স্বাগত জানান এবং ডেঙ্গুর মৌসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ডব্লিউএমপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
ডব্লিউএমপির প্রতিশ্রুতি
ডব্লিউএমপি বাংলাদেশে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং দাতাদের সহায়তা জোগাড় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ডেঙ্গুর বোঝা কমাতে এবং জনস্বাস্থ্য প্রস্তুতি জোরদার করতে উদ্ভাবনী ও প্রমাণ-ভিত্তিক পদ্ধতি অন্বেষণে বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই বৈঠকে প্রতিফলিত হয়।



