সরকারের টিকার পর্যাপ্ত মজুদ ও সরবরাহ নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। ১৯৭৯ সালে চালু হওয়া সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) দেশের শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই কর্মসূচি বছরে প্রায় ১ লাখ শিশুর মৃত্যু রোধ করে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।
টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ
সরকার ইউনিসেফকে ৮৩.৬ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ টিকা সংগ্রহের জন্য। এর অংশ হিসেবে রোববার আইপিভি টিকার প্রথম চালান এসেছে, বুধবার এমআর ও টিডি টিকা এসেছে। আরও ১ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা ১০ মে নাগাদ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইউনিসেফ ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো ডেলিভারি সম্পন্ন করবে। এছাড়া সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে আরও ৩৫ মিলিয়ন ডলারের টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য তিন মাসের বাফারসহ ১৫ মাসের টিকা মজুদ রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বর্তমান মজুদ ও ক্যাম্পেইন
বর্তমানে টিসিভি ও এইচপিভি টিকার পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং নতুন চালানের কারণে আগামী ৮-১২ মাসের মধ্যে অন্য টিকার ঘাটতি হবে না। এদিকে দেশব্যাপী 'হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬' চলছে। এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৩ শতাংশ। সরকার সম্পূর্ণ কভারেজ অর্জনে তৎপরতা জোরদার করেছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং গাভি, ইউনিসেফ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাদের অব্যাহত সহায়তার জন্য।



