টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় কুকুরের কামড়ে গত দুদিনে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কীভাবে ঘটলো?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে কালিয়া ইউনিয়নের দেবলচালা গ্রামে আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন নারী ও শিশুকে কামড় দেয় একটি কুকুর। এরপর কুকুরটি সখীপুর পৌর শহরের দিকে চলে যায়। আন্ধি থেকে পৌর শহরের উত্তরা মোড় পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জনকে কামড় দেয় কুকুরটি। রাত ১০টার দিকে কুকুরটি কাহারতা গ্রাম হয়ে কচুয়া যায়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে কুকুরটি কালিয়া, ঘোনারচালা ও দামিয়া গ্রামের আরও কয়েকজন নারী ও শিশুকে কামড়ায়।
আহতদের অবস্থা
আহতদের মধ্যে অন্তত নয়জন শিশু ও ১০ জন নারী রয়েছেন। দুদিনে মোট ৫৪ জন সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহানা পারভীন বলেন, গতকাল সকাল থেকে আজ সকাল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত ৫৪ জন রোগী হাসপাতালে এসেছেন। তাদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এবং আব্দুর রশিদ নামের এক ব্যক্তিকে ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের উদ্বেগ
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা কুকুরটি দ্রুত আটকের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, কুকুরটি এখনো এলাকায় ঘোরাফেরা করছে এবং যে কোনো সময় আরও মানুষকে কামড় দিতে পারে।



