২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিক পাবেন ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিক পাবেন ই-হেলথ কার্ড

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার সংসদে জানিয়েছেন, সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং সারা দেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ই-হেলথ কার্ড বিতরণের লক্ষ্য

সংসদে বিরোধী দলের সদস্য নূরুন্নেসা সিদ্দিকা (মহিলা আসন-৩৭) এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই সরকার ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেশের জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।

ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পদক্ষেপ

বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং প্রতিটি নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার ই-হেলথ কার্ড প্রদানের পাশাপাশি জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির সক্ষমতা বাড়াবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন হাসপাতাল স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন

এছাড়া নতুন হাসপাতাল স্থাপন, বিদ্যমান অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বিনামূল্যে মানসম্পন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশুর জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, ওষুধ ও টিকা সরবরাহ নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা, সমন্বিত ও আধুনিক পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ডিজিটাল হেলথ আইডি চালু

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি ডিজিটাল হেলথ আইডি চালু করার পরিকল্পনা করছে এবং প্রতিটি নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের মাধ্যমে একটি জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য ডেটাবেস তৈরি করা সম্ভব হবে।