গাইবান্ধায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩
গাইবান্ধায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩

গাইবান্ধায় গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এক তরুণীকে (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। শনিবার (৬ জুন) সকালে সাঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তদের আটক করে এবং ভুক্তভোগী তরুণীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

ঘটনার বিবরণ

এর আগে শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত গভীর রাতে সাঘাটা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। আটক তিন জন হলেন– লাবু মিয়া (২৫), নীরব মিয়া (২০) ও স্বাধীন ব্যাপারী (২২)। তাদের সবার বাড়ি গাছাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিপ্লব ওরফে ডিপজল নামে অপর এক যুবক পালিয়ে গেছে। তার বাড়ি বোনারপাড়া ইউনিয়নের ফুটানির বাজার এলাকায়।

জানা গেছে, রাতে তরুণী ঘরের বাইরে বের হলে অভিযুক্তরা তার মুখ চেপে ধরে নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় তার কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন ও নগদ দুই হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের ভূমিকা

বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের আটক করে একটি ঘরে আটকে রাখেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে শনিবার সকালে সাঘাটা থানার এসআই রফিকুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

পুলিশের বক্তব্য

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং তিন অভিযুক্তকে আটক করে। তবে অপর এক অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ায় তাকে এখনও আটক করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী তরুণীকে থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে এবং তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওসি বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে মামলা রুজু করা হবে। মামলার পর আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।’

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য কঠোর আইন প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।