চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে তাদের উপসর্গে মৃত্যু বলে ধরা হলেও ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর তাদের দেহে হামের জীবাণু পাওয়া গেছে। মৃত শিশুদের একজন নগরীর এবং অপরজন উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
নতুন শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি
এদিন নতুন করে আরও ৯ জন হাম আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৭১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই দিনে সুস্থ হয়ে ৮৫ শিশুকে হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ দেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে তিন শিশু এবং সন্দেহজনক হামে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার চার জনসহ মোট নয় জন শিশুর দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে নগরীতে ৬৭ জন এবং বিভিন্ন উপজেলায় চার জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
নমুনা পরীক্ষা ও সিভিল সার্জনের বক্তব্য
এদিন চট্টগ্রাম থেকে নতুন করে ৮২ জনের নমুনা ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এক হাজার ১২৪ জনের নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হলো। চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চট্টগ্রামে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দুই শিশুর রিপোর্ট ঢাকা থেকে এসেছে। তারা হামে আক্রান্ত ছিল। হাম শনাক্ত না হওয়ায় এতদিন তাদের হামের উপসর্গে মারা গিয়েছিল হিসেবে ধরা হয়েছিল।



