হাম প্রসঙ্গে নীরবতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান তাসনিম জারার
হাম প্রসঙ্গে নীরবতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন তাসনিম জারা

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে নীরব থাকার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা। দুটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। শুক্রবার (১৫ মে) এক ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা বলেন, ‘দুইটি দলের কর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে প্রচার করছেন যে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে আমি কিছু বলি নি, কিছু করি নি। আমি নাকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছের মানুষ ছিলাম এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বাঁচাতে এখন চুপ থাকছি।’

স্বাস্থ্য খাতে আগেও সমালোচনা

তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন বিষয়ে তিনি আগেও প্রকাশ্যে সমালোচনামূলক অবস্থান নিয়েছিলেন। তার ভাষায়, ‘তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে আমি ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলি। তখনকার বিষয় ছিলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় ধীরগতি ও অবহেলা।’ হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই কথা বলে আসছেন বলেও উল্লেখ করেন।

সংসদীয় তদন্ত কমিটির দাবি

তাসনিম জারা জানান, প্রায় এক মাস আগে তিনি সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি তুলেছিলেন, যাতে হামের প্রাদুর্ভাবের পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সভা-সেমিনারেও তিনি হামের বিস্তার ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে মতামত দিয়েছেন এবং সেসব ভিডিও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যাবে। তার কথা, ‘হামের প্রাদুর্ভাবের পেছনে দায় কার, তা খুঁজে বের করতে একটি সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন, সেই দাবীও জানিয়েছি প্রায় একমাস আগে- এপ্রিল মাসের ১৯ তারিখে। আর এক মাসেরও বেশি আগে থেকে আমি বিভিন্ন সভা-সেমিনারে আমি হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে কথা বলে আসছি, সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আমার মতামত দিয়েছি। এসব ভিডিও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ইউটিউব চ্যানেলে সার্চ করলেই দেখা যায়। কিছু স্ক্রিনশটও দিচ্ছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা দুর্ভাগ্যজনক

গণস্বাস্থ্য সংকটকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর এই চেষ্টা দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে, মারা যাচ্ছে: এই সময়ে দলীয় কর্মীদের কাজ হওয়া উচিত ছিলো সমাধানে অংশ নেওয়া। কিন্তু তারা বরাবরের মতই বেছে নিয়েছে মিথ্যা প্রচার করা।’