স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তুলনা
সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে সম্রাট বাবর ও প্রধানমন্ত্রীর তুলনা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তুলনা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে সংসদ অধিবেশনে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০০ শয্যা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ তুলনা উপস্থাপন করেন।

ইতিহাসের আলোকে বর্তমানের মূল্যায়ন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সম্রাট বাবর সব জনগোষ্ঠীর জন্য দরদ দিয়ে কাজ করতেন, তবে বিশেষভাবে হিন্দুদের জন্য তার কার্যক্রম ছিল লক্ষণীয়। তিনি হিন্দুদের হৃদয় জয় করার জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করতেন। মন্ত্রী বলেন, ঠিক তেমনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনকল্যাণমুখী প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করতে চাচ্ছেন, দরদ দিয়ে, প্রেম দিয়ে কল্যাণের চিন্তা করে

ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী জানান, বাবরের শাসনামলে কবি কালিদাস রায় ‘বাবরের মহত্ত্ব’ নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন, যার শেষাংশ ছিল: ‘হিন্দুর-হৃদি জিনিবার লাগি করিতেছে সুশাসন, ধরিয়া ছদ্মবেশ।’ এই ঐতিহাসিক দৃষ্টান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাজের প্রশংসা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন চিন্তাধারা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সব সেক্টরে উন্নয়ন কাজ চলমান রেখেছেন এবং সর্বক্ষেত্রে সব ধরনের মানুষের কল্যাণ করার চিন্তাধারা প্রসারিত করছেন। তার মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই জনকল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গি সম্রাট বাবরের মানবপ্রেমী শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়াও, মন্ত্রী শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করার বিষয়টিকে নীতিনির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য, যা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নতুন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এই বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঐতিহাসিক ও বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন, যা সরকারের উন্নয়নমুখী নীতির প্রতি তার সমর্থন ও বিশ্বাস প্রতিফলিত করে।