পাবনার ঈশ্বরদীতে ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নিতে গিয়ে যুবক আহত, ছুরিকাঘাতের সন্দেহ
ঈশ্বরদীতে ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নিতে গিয়ে যুবক আহত

পাবনার ঈশ্বরদীতে ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নিতে গিয়ে যুবক আহত

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে পেট্রোল নেওয়াকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার আরামবাড়ীয়া এলাকায় অবস্থিত ‘মুনসুর ফিলিং স্টেশনে’ এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত উজ্জ্বল হোসেন ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের ইলশামারী গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি আকমল হোসেনের ছেলে হিসেবে পরিচিত।

ঘটনার বিবরণ

উজ্জ্বল হোসেন জানান, তিনি তার মোটরসাইকেলে পেট্রোল নেওয়ার জন্য ফিলিং স্টেশনে যান। সেখানে তিনি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখে সবাইকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পর্যায়ক্রমে পেট্রোল নেওয়ার অনুরোধ করেন। এই অনুরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকজনের সঙ্গে তার তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অজ্ঞাত কে বা কারা পেছন থেকে তাকে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

চাক্ষুসদের বর্ণনা

ঘটনাস্থলে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালক আরমান হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রায় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করেই মারামারি শুরু হয়। পরে দেখি একজন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।’ এই বিবরণ থেকে বোঝা যায়, ফিলিং স্টেশনে বিশাল সংখ্যক যানবাহন জমায়েতের কারণে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চিকিৎসা ও পুলিশি তদন্ত

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান জানান, আহত অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি পুলিশ জেনেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি প্রাথমিকভাবে ধারণা প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি ছুরিকাঘাত নাও হতে পারে; ধারালো কাচ বা অনুরূপ কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়ে থাকতে পারে।’ পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

এই ঘটনা ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নেওয়ার সময় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা সুনির্দিষ্ট সন্দেহভাজন শনাক্ত করতে পারেননি, যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।