চাঁদপুর লঞ্চে সন্তান প্রসব, মা ও নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক
চাঁদপুরে এক প্রসূতি সন্তান প্রসবব্যথা নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে লঞ্চে সন্তান প্রসব করেছেন। তবে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে মা ও নবজাতক দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বক্তব্য
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুবুর রহমান জানান, নবজাতক ও প্রসূতিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সন্তান ভালো আছে, তবে মায়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাঁকে রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
প্রসূতির স্বামীর বিবরণ
প্রসূতির স্বামী আল আমিন প্রধানীয়া বলেন, তাঁদের শ্বশুরবাড়ি মতলবের জহিরাবাদ চর উমেদ এলাকায়। তিনি স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে নিয়ে এমভি হাশেমপুর লঞ্চে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু পথে প্রসবব্যথা ওঠে এবং লঞ্চেই সন্তান প্রসব হয়। এ সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এর মধ্যে লঞ্চ চাঁদপুর ঘাটে এসে পৌঁছায়। সেখান থেকে নৌ পুলিশের সহায়তায় তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নৌ পুলিশের ভূমিকা
চাঁদপুর সদর নৌ পুলিশের ইনচার্জ এইচ এম ইকবাল হোসেন বলেন, এমভি হাশেমপুর লঞ্চে এক প্রসূতির সন্তান প্রসবের খবর পেয়ে তিনি ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
লঞ্চমালিকের উদ্যোগ
এদিকে লঞ্চমালিক এই নবজাতককে তাৎক্ষণিক ৫ হাজার টাকা ও নতুন পোশাক উপহার দিয়েছেন। পাশাপাশি এই লঞ্চে নবজাতকের যাতায়াত ভাড়া আজীবনের জন্য ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছেন।



