মিড-বাড্ডায় সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু, আহত আরেকজন
মিড-বাড্ডায় সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

মিড-বাড্ডায় সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু, আহত আরেকজন

ঢাকার মিড-বাড্ডা এলাকায় ইউ-লুপ ব্রিজে সোমবার দুপুরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা একটি মোটরসাইকেলের পেছনে ধাক্কা মারায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে তার বয়স প্রায় ২৫ বছর ছিল।

দুর্ঘটনার বিবরণ ও উদ্ধারকার্যের চিত্র

দুর্ঘটনার সময় স্থানীয় একজন পথচারী বাদশা আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। বাদশা ব্রিজের কাছে একটি দোকানে কাজ করেন, তিনি চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে তিনি দেখতে পান একজন ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে আছেন এবং কাছেই মোটরসাইকেলটি পড়ে রয়েছে। বাদশা বলেন, “আমি চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়েছিলাম এবং দেখলাম একজন মানুষ রাস্তায় কাতরাচ্ছেন, পাশেই মোটরসাইকেলটি পড়ে আছে।” তিনি আহত ব্যক্তিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডিএমসিএইচ) নিয়ে যান।

হাসপাতালে চিকিৎসা ও মৃত্যু ঘোষণা

ডিএমসিএইচের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর ডিউটি ডাক্তার আহত ব্যক্তিকে পরীক্ষা করেন এবং বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আহত অপর ব্যক্তিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তার অবস্থা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। ডিএমসিএইচ পুলিশ আউটপোস্টের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক এই ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহটি ডিএমসিএইচ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বাড্ডা থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের বক্তব্য ও পলায়ন

স্থানীয় সাক্ষীরা জানিয়েছেন, সিএনজি অটোরিকশাটি মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এই পলায়ন দুর্ঘটনার তদন্তকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অটোরিকশা চালককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই দুর্ঘটনা ঢাকার যানজট ও নিরাপত্তাহীন সড়ক পরিস্থিতির আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটছে, যা নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও ট্রাফিক নিয়ম প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে।