নেত্রকোনার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চুরি: জেনারেটর, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট
নেত্রকোনার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চুরি, জেনারেটর-ওষুধ লুট

নেত্রকোনার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চুরি: জেনারেটর, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একটি বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় প্রধান ফটকের তালা ভেঙে জেনারেটর, সোলার সিস্টেমের ব্যাটারি, কয়েকটি সিলিং ফ্যান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সরকারিভাবে সরবরাহ করা বিপুল পরিমাণ ওষুধ লুট করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

রোববার (২৯ মার্চ) সকালে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট মামুনুর রশিদ এই তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করেন। তিনি জানান, শনিবার বিকেলে কাজ শেষে তিনি কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে বাড়িতে ফিরে যান। পরদিন রোববার সকালে কেন্দ্রে এসে তিনি প্রধান ফটকসহ ভেতরের বিভিন্ন রুমের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান।

ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, আলমারি ও ড্রয়ারগুলো তছনছ করে মূল্যবান মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • একটি জেনারেটর
  • সোলার সিস্টেমের ব্যাটারি
  • কয়েকটি সিলিং ফ্যান
  • প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম
  • সরকারিভাবে সরবরাহ করা বিপুল পরিমাণ ওষুধ

কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম তৌকীর আহমেদ জানান, চুরি হওয়া মালামালের একটি তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন দুপুরের দিকে জানান, চুরির বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো বিস্তারিত জানেন না। তবে দ্রুত খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেবা বিঘ্নের আশঙ্কা

এই চুরির ঘটনা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে রোগীদের সেবা প্রদানে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীরা এখন অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছেন এবং কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।