জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে ৪০টি আইসিইউ বেড দ্রুত চালুর নির্দেশ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে ৪০ আইসিইউ বেড দ্রুত চালুর নির্দেশ

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে ৪০টি আইসিইউ বেড দ্রুত চালুর নির্দেশ

রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ৪০টি আইসিইউ বেড দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। রবিবার (২৯ মার্চ) বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসের আলোচনা সভা শেষে তিনি হাসপাতালটির বিশেষায়িত অ্যাজমা সেন্টারে নবনির্মিত আইসিইউ বেডের প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সেবাটি ত্বরান্বিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিত্যক্ত স্থানের সংস্কার ও আধুনিকায়ন

প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালে কয়েক বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ফ্লোরগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি পরিত্যক্ত জায়গাগুলো সংস্কার করে গড়ে তোলা অত্যাধুনিক আইসিইউ শয্যা ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদি পর্যবেক্ষণ করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত স্থানকে ব্যবহারোপযোগী করে এই আইসিইউ ব্লক তৈরি করা হয়েছে, যা চালু হলে বক্ষব্যাধি ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিল রোগীদের চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

সাশ্রয়ী ও উন্নত চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "সাধারণ মানুষ যাতে কম খরচে এবং সুলভ মূল্যে আইসিইউ সেবা পেতে পারে, সে জন্য এই ইউনিটটি যত দ্রুত সম্ভব চালু করতে হবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাদের লক্ষ্য হলো সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন করা এবং প্রতিটি নাগরিকের কাছে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে গরিব মানুষ যাতে সহজে ও কম খরচে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা ভোগ করতে পারে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নে নির্দেশনা

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ এবং চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যা সরকারের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও জনসাধারণের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিতকরণের প্রতিফলন। এই আইসিইউ বেড চালু হলে রোগীদের জন্য আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী সেবা প্রদান সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।