কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ রোববার কুমিল্লা সেনানিবাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি সেখানে আর্মি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের বিবরণ ও সেনাপ্রধানের আশা

সংক্ষিপ্ত সফরে কুমিল্লা সেনানিবাসে আসা সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান দুপুরে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে আশা প্রকাশ করেন যে, আর্মি মেডিকেল কলেজ এবং নির্মাণাধীন হাসপাতালটি দেশের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও চিকিৎসা খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কলেজের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা

প্রসঙ্গত, আর্মি মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিজস্ব পাঁচ একর জমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আজ কুমিল্লা সেনানিবাসের সন্নিকটে ৭ দশমিক ০৭ একর জমির ওপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হলো। বর্তমানে এই কলেজে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে দেশ ও বিদেশে কর্মরত আছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উপস্থিতি

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডাইরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই উদ্যোগটি কুমিল্লা অঞ্চলে চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবার প্রসারে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।